পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসন, দূষণ কমানো, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল খনন করা অত্যন্ত জরুরি। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল সংস্কার ও পুনঃখননের কোনো বিকল্প নেই। তাই আজকে আমাদের সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সোমবার সকালে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের মিরেরপোল এলাকায় দাদনার খাল খনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খাল খনন না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে বন্যার মাত্রা বেড়ে যাবে। এছাড়া সেচ ব্যবস্থা খারাপ হয়ে কৃষি উৎপাদন কমে যাবে। আমাদের কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য পানির প্রবাহ দরকার।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, সে উদ্যোগ বহু বছর আগে আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রহণ করেছিলেন। ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবং ভূগর্ভস্থ পনি কমে যাওয়ায় বিভিন্নভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে এ মুহূর্তে খাল খনন কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের যেখানে যতগুলো খাল রয়েছে, সবগুলো চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তাহলে দখলদারদের উদ্ধার করা লাগবে না। আমাদের লোকজনই কথাবার্তা বলে জায়গাটি ক্লিয়ার করে দেবেন। এ কাজে সরকারের পাঁচটি দপ্তর একযোগে মাঠে রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা যেন তাদেরকে সব ধরনের সহযোগিতা করে। কারণ সব খালের পানির প্রবাহ ঠিক করে নদীর সাথে সংযোগ সৃষ্টি করতে না পারলে দূষণ কমবে না, জলাবদ্ধতা নিরসন করা যাবে না, আবাদি জমি বাড়ানো যাবে না এবং উৎপাদনও বাড়ানো যাবে না।
জেলা প্রশাসক মনিরা হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, বিএডিসির উপপ্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরনবী, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আতিক উল্লাহ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, দাগনভুইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীদুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন।