শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
Title :
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা প্রাথমিকে কাটছে প্রধান শিক্ষক সংকট খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানে হামলার শঙ্কা, তেহরানের হুঁশিয়ারি আমরা ফিলিস্তিনকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি: রাষ্ট্রদূতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না: রাষ্ট্রদূত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে টপকে ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফ্রান্স গরু জবাইয়ে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতির বিষয়ে জানলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে এস আলমের ৬ কারখানা বন্ধ ঘোষণা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৬২ Time View

বিতর্কিত শিল্পগ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন ৬টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) গ্রুপটির মানব সম্পদ ও প্রশাসন প্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনের সই করা দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে কারখানা বন্ধের বিষয়টি জানানো হয়।

এর মধ্যে একটি প্রজ্ঞাপনে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ ও এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই কর্মকর্তার সই করা আরেকটি প্রজ্ঞাপনে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড-নফ, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ছয়টি কারখানার মধ্যে পাঁচটি কর্ণফুলী উপজেলায় এবং একটি বাঁশখালী উপজেলায় অবস্থিত।

এস আলম গ্রুপের মানব সম্পদ ও প্রশাসন প্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন প্রজ্ঞাপন দুটির জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুটি প্রজ্ঞাপনেই বলা হয়, কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে অনিবার্য কারণবশত আগামী ২৫ ডিসেম্বর হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানা বন্ধ থাকবে। তবে, নিরাপত্তা বিভাগ, ডেলিভারি সেকশন ও জরুরি বিভাগ (ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক) খোলা থাকবে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মোট ছয়টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও এর মধ্যে কর্ণফুলীর দুটি স্থানে শ্রমিকরা জড়ো হয়েছেন। তাছাড়া বাঁশখালী উপজেলার এস আলমের মালিকানাধীন কোনো কারখানায় বিক্ষোভের তথ্য নেই।

কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফ বলেন, দুটি কারখানায় আমাদের টিম গিয়েছিল। শ্রমিকরা জড়ো হয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষ এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এরপর তারা চলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এস আলম গ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বন্ধ ঘোষণা করা কারখানা ৬টিতে কর্মকর্তা ও শ্রমিক মিলিয়ে অন্তত ১২ হাজার লোক কাজ করেন। বর্তমানে কারখানা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ এস আলম গ্রুপকে এলসি খোলার ক্ষেত্রে কোনো ব্যাংক যথাযথ সহযোগিতা করছে না। এমতাবস্থায় সাময়িকভাবে কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category