সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রতি বছরের মতো এবারও নবাবগঞ্জের খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জানা গেছে, কোরবানি উপলক্ষ্যে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তারা। অবৈধ পথে ভারত থেকে গরু আমদানি না হলে, লাভবান হওয়ার আশা নবাবগঞ্জের এসব খামারিদের।
নবাবগঞ্জের চুড়াইন ইউনিয়নের মোসলেম হাঁটি গ্রামের সাব্বির অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মো. রনি বলেন, কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে তারা খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। খামারের এসব গরু এক বছর আগে দেশের বিভিন্ন হাট থেকে কিনে লালনপালন শুরু করেন তিনি। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে খামারি মো. রনি গরু মোটাতাজা করছেন নিজ খামারে।
এদিকে পশু মোটাতাজাকরণে মাঠ পর্যায়ে তদারকির কথা জানালেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারহানা জাহান।তিনি বলেন, আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এসব গরু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে খামারিদের বিভিন্ন সময় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খামারিরা এ বছর ১৯ হাজার ২শত ৩১টি পশু মোটাতাজা করছেন। দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করায় এ অঞ্চলে পশুর চাহিদা ১০ হাজার ৫শত ৭৪টি প্রায়।