বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
Title :
৪ হাজার কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ায় সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিল চীন এরদোয়ানের নামে ট্রাম্পের কাছে নেতানিয়াহুর নালিশ ফিলিস্তিনিদের জন্য যার মায়া নেই, সে মানুষই নয়: মিশরের প্রধান কোচ এইচএসসির প্রশ্নপত্রে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ জামালপুরে আইনজীবীর চেম্বারে মিলল বোমা, গুলি ও মদের বোতল কাশিয়ানীতে স্ত্রী হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই স্বামী গ্রেপ্তার কক্সবাজারে থামছে না পাহাড়ধসের কান্না, ঝুঁকিতে লাখো মানুষ বিএনপি সরকার জুলাই সনদ ও জনগণের রায়কে অস্বীকৃতি জানিয়েছে: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সরকারি জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ

  • Update Time : রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭৬ Time View

বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে বিল্ডিং বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের তোজাম্মেল হোসেন প্রামাণিকের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবানীপুর গ্রামে সরকারি রাস্তা সংলগ্ন ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি আনুমানিক ৬ শতক জায়গার উপর বিল্ডিং বাড়ি নির্মাণ করছেন ভবানীপুর গ্রামের তোজাম্মেল হোসেন। যে জায়গাটির আনুমানিক মূল্য ৯ লক্ষ টাকা।

ভবানীপুর গ্রামবাসী জানান, সরকারি জায়গার উপর বিল্ডিং বাড়ির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কুরশিয়া আক্তারকে জানানো হয়েছিল। এরপর সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিল্ডিং নির্মাণে নিষেধ করে চলে যান। পরে ১ সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর পুনরায় নির্মাণ কাজ চালু করেন তোজাম্মেল হোসেন। পরবর্তীতে আবারো ভূমি অফিসকে বিষয়টি জানালে ২য় বারের মতো সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে তোজাম্মেল হোসেনের সাথে কথা বলে চলে যান।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত বাড়ির মালিক তোজাম্মেল হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ভূমি কর্মকর্তাসহ উপর মহল ম্যানেজ করেই বিল্ডিং বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ২-৩ বার গিয়ে নিষেধ করে এসেছি। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারকেও জানানো হয়েছে। স্যার বলেছেন বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হবে।

কবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা স্যার বলতে পারবেন। আপনি স্যারের সাথে কথা বলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুমায়ন কবীরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শুরুতেই সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বর্তমানেও যদি বিল্ডিং নির্মাণ কাজ চলমান থাকে তাহলে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জায়গাটি দখল মুক্ত করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category