মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
Title :
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পর্তুগালের লিসবনে ডেইলি বাজারের যাত্রা শুরু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরএমপির মতবিনিময় ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ হরমুজ প্রণালিতে বন্ধু দেশগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেবে ইরান

ছোট গরুতে আগ্রহ ক্রেতাদের

  • Update Time : শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪
  • ৭০ Time View

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র বাকি ২ দিন। এদিকে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিভিন্ন রঙ ও আকারের কোরবানির পশুতে ভরে উঠেছে রাজধানীর হাটগুলো। তবে এখনো জমে ওঠেনি বেচাবিক্রি।

এবারে বড় আকারের গরু কিনতে তেমন একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতাদের। হাটগুলোতে ক্রেতা সমাগম বাড়লেও দর-কষাকষি চলছে ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুগুলোকে ঘিরেই।

এদিকে বড় গরুগুলো নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ব্যাপারীদের কপালে। মূলত, বড় পশু থেকে অতি লাভের আশা তারা করেছিলেন। কিন্তু ক্রেতা না পেলে লাভ তো দূরের কথা বড় ধরনের লোকসানই গুনতে হবে তাদের।

শনিবার সকালে রাজধানীর লালবাগের রহমতগঞ্জ পশুর হাটে গিয়ে সরেজমিনে এ চিত্র দেখা যায়।হাট ঘুরে দেখা যায়, বড় গরুর মালিকরা অনেকটা অলস সময় পার করছেন। আবার কোন কোন বেপারী রান্নার কাজ সেরে নিচ্ছেন।

হাটে ক্রেতা এলেও, দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন বেশিরভাগ। দর-কষাকষি হচ্ছে সামান্যই। বরং বেশি ভিড় চোখে পড়েছে ছোট ও মাঝারি গরুগুলো ঘিরেই। সাধ্যের মধ্যে পছন্দের কোরবানির পশুটি কিনে নিতে দর-কষাকষি করছেন ক্রেতারা।

বড় গরুর ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় গরুর দিকে এবার তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতারা। দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন অনেকে, দর-কষাকষিও করছেন না। মূলত রাজধানীর বিত্তশালীরা বেশির ভাগই বিভিন্ন অ্যাগ্রো ফার্মের দিকে ঝুঁকে পড়ায় কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা হারিয়েছেন তারা। প্রতি বছর কোরবানি ঈদে বড় গরুগুলো ঘিরেই বড় লাভের হিসাব করে থাকেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ক্রেতার যে আকাল পড়েছে, তাতে এবার তাদের গরু আনা-নেওয়ার খরচও উঠবে কি না, সন্দেহ।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তালমিলিয়ে জনগণের আয়-রোজগার বাড়েনি। যেখানে নিত্যপ্রয়োজন মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে বিশালদেহী গরু কোরবানি বিলাসিতা ছাড়া কিছু নয়। তার ওপর এবার দামও চাওয়া হচ্ছে অত্যধিক। গতবারের তুলনায় দ্বিগুণ দাম হাঁকছেন গরুর ব্যাপারীরা।

রাজবাড়ী থেকে পশু নিয়ে আসা আলম বেপারি বলেন, ক্রেতাদের হাতে টাকা নেই তেমন। হাটে ঢুকেই মাঝারি গরু খুঁজছেন বেশির ভাগ ক্রেতা। তবে তিনি আশা করছেন আজ সন্ধ্যার পর থেকে হাটে বেচাবিক্রি বাড়বে।

আজিমপুর থেকে হাটে আসা ক্রেতা আলম আমার সংবাদকে বলেন, তিনদিন ধরে হাটে হাটে ঘুরছি। ব্যবসায়ীরা দাম ছাড়ছেন না। তবে মনে হচ্ছে আজ দাম ছাড়বেন তারা। বাজেটের মধ্যে পেলে আজই কিনে ফেলবেন পছন্দসই একটা গরু।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category