রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
Title :
বন্যায় প্লাবিত ৫৯ উপজেলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ ইংল্যান্ডের টেস্ট কোচের পদ হারালেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা আঘাত, কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য শৈশবের বন্ধুকে ৩৬ কোটি টাকার সম্পত্তি দিলেন চীনা তরুণ যাত্রীবেশে বাসে মন্ত্রী, ভাঙতি না থাকায় নামিয়ে দিলেন কন্ডাক্টর সারাদেশের মানুষকে চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান নাহিদ ইসলামের বাংলাদেশে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শোক ওমান উপকূলে হামলার শিকার জাহাজ থেকে ১০ ভারতীয় উদ্ধার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীর সহযোগিতা চাইল ডিএনসিসি

বন্যায় প্লাবিত ৫৯ উপজেলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১

  • Update Time : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ Time View

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাতটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ৫৯টি উপজেলা, যার ফলে ৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা এখন পানির নিচে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

রোববার দুপুর ২টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারি প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাকবলিত। দুর্গতদের জন্য সাতটি জেলায় মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন মানুষ অবস্থান করছেন।

চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের বড় অংশই কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাসিন্দা।

আঞ্চলিক তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার ১৬টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় আংশিক জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২১ হাজার ৯০০ মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন। কক্সবাজারে ১০টি উপজেলা, বান্দরবানে ৭টি উপজেলা, রাঙামাটিতে ৯টি উপজেলা, খাগড়াছড়িতে ৯টি উপজেলা এবং মৌলভীবাজারে ৫টি উপজেলা বন্যার কবলে পড়েছে। হবিগঞ্জেরও ৩টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত দুর্গত জেলাগুলোর জন্য মোট ১ কোটি ৭৫ লাখ নগদ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা। দুর্যোগ মোকাবিলায় মাঠপর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ চলছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category