বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, গাজা উপত্যকায় তিন দিনের ‘মানবিক যুদ্ধবিরতি’ এবং হামলা বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। গাজার প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে পোলিও টিকা দেওয়ার জন্য এই বিরতি। তবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট তিনটি ভিন্ন এলাকায় হামলা বন্ধ রাখবে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনে নিযুক্ত ডব্লিউএইচওর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিক পিপারকর্ন বলেন, আগামী রোববার থেকে ‘মানবিক যুদ্ধবিরতি’ ও পোলিও ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য সকাল ৬টা থেকে শুরু করে বেলা ৩টা পর্যন্ত হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা বন্ধ থাকবে।
গত ২৩ আগস্ট গাজার ১০ মাস বয়সি একটি শিশু টাইপ২ পোলিও ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্যারালাইজড হয়ে গেছে, যা এই অঞ্চলে গত ২৫ বছরের মধ্যে প্রথম ঘটনা। এর পরই উপত্যকায় পোলিও টিকা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হামলা বন্ধের আহ্বান জানায় ডব্লিউএইচও।
পিপারকর্ন বলেন, গাজার কেন্দ্রস্থল থেকে পোলিও টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হয়ে দক্ষিণ গাজায় যাবে। পরবর্তীতে আরও তিনদিনের যুদ্ধবিরতি হবে তখন উত্তর গাজায় পোলিও টিকা কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজনে হামলা চারদিনের জন্য বন্ধ রাখার চুক্তি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এবারের কর্মসূচিতে গাজার অন্তত ৯০ শতাংশ শিশুকে টিকা খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।প্রথম রাউন্ড শেষ করার চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় রাউন্ডের কার্যক্রম শুরু করতে হবে বলেও জানান তিনি।
ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেছেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে, টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুতিতে স্থলে থাকা দলগুলোর ৪৮ ঘণ্টা প্রয়োজন হবে।