সরকারি চাকরিতে সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে (সর্বোচ্চ ৫% কোটা ) এনে সংসদে আইন পাস করার জন্য কোটা সংস্কার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সদস্যের নেতৃত্বে সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠাঁলতলায় তিন সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক কমিটি এবং ১৪ সদস্য বিশিষ্ট নেতৃত্বদানকারী টিম গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে আছেন ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেসা নিদ্রা এবং সহ-সমন্বয়ক হিসেবে আছেন ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মো. মারফুল ইসলাম ও ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী ইভান তাহসীব।
এছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সুন্দর, অহিংস, সুশৃঙ্খল এবং ধারাবাহিক ভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সমন্বয় কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন ১৪ সদস্য বিশিষ্ট টিম।
প্রসঙ্গত প্রধান সমন্বয়ক মেহেরুন্নেসা নিদ্রা বলেন, আমাদের পূর্বের সমন্বয়ক কমিটিতে কিছু ভুলত্রুটি ছিল। সে ভুলত্রুটি কাটিয়ে উঠে এবং আন্দোলন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাকি সদস্যরা আমাকে প্রধান সমন্বয়ক করে সমন্বয়ক কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের সকল আন্দোলনরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।
সহ-সমন্বয়ক ইভান তাহসীব বলেন,কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে আমাদের এই আন্দোলন দেশজুড়ে এখনো চলছে। সামনের দিনগুলোতে এই আন্দোলন সুশৃঙ্খল এবং অহিংস ভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা সমন্বয়ক কমিটি আমরা গঠন করেছি। সমন্বয়কারীদের নেতৃত্বের ভূমিকায় আমাদের এই আন্দোলন জারি থাকবে।