শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, মাগুরায় জিএম বরখাস্ত; মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ মিরপুরের সংঘর্ষে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু আহত চীনা প্রকৌশলীকে দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনতার মুখোমুখি মসিক প্রশাসক, উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার মৌলভীবাজারে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ‘কার্ড দেব, চাকরি দেব, বিনিময়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে’ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে দিনভর নানা কর্মসূচি

নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে শ্রম আইন সংশোধনে সিদ্ধান্ত: আইনমন্ত্রী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ৮০ Time View
আইএলও প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
আইএলওর সুপারিশ অনুযায়ী শ্রম আইন সংশোধনে কিছু কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমাদের আলোচনা শেষ হয়েছে। আমরা শ্রম আইন সংশোধন করছি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এ বিষয়ে কিছু সাজেশন দিতে চায়। সাজেশনগুলো মূলত তারা এই কারণে দিতে চেয়েছিল, যে আইনটি হচ্ছে সেটি যাতে আরও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়। আইএলওর কমিটি অব এক্সপার্টের সাজেশনগুলো যাতে নিষ্পত্তি হয়, সে বিষয়ে তাদের বক্তব্য ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আইএলওকে যে কো-অপারেশন সরকারের পক্ষ থেকে (দেওয়া হয়) সেটা আমরা চালিয়ে যেতে চাচ্ছি। সেজন্যই মূলত আমরা তিনদিন ধরে সেটা (শ্রম আইনের খসড়া) এক্সারসাইজ করেছি। এখানে মূলত কিছু কিছু ইস্যু, যেগুলো অ্যামেন্ডমেন্টে থাকার কথা বলেছেন।’

আনিসুল হক বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের কিছু কিছু বিষয়ে এসেছিল যেটি নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত দিতে হবে। সেটি আমি বলেছি নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে। আমরা গ্রহণ করবো কি করবো না সেটার সিদ্ধান্ত।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু বিষয় আছে ত্রিপক্ষীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। তাদের বক্তব্য নোট করেছি, তাদের বক্তব্য সেখানে তুলে ধরবো। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে আমাদের দেশের বাস্তবতায় গ্রহণযোগ্য হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আমরা নেবো।’

‘কিছু কিছু ইস্যু আছে, যেগুলো মনে হয়েছে গ্রহণযোগ্য, সেগুলো গ্রহণ করেছি। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেজন্য এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত বলবো না। কারণ বিস্তারিত বলতে গেলে হয়তো আমি কোথাও ভুল করবো, সেজন্য আমি বলবো না।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা তিনদিন ধরে তাদের যে বক্তব্য সেটা শুনেছি। সব ইস্যু নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেছি। মতবিনিময় করেছি। আমার মনে হয়, এ রকম মতবিনিময়ের মাধ্যমে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সেটা শুধু স্টেকহোল্ডারদের জন্যই ভালো নয়, আমার মনে হয় এই আলোচনাটাই আন্তর্জাতিক মানের ক্ষেত্রে একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে। আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আইএলওর কমিটি অব এক্সপার্ট আমাদের আইনটা দেখেছেন, পড়েছেন, সেখানে তারা আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছেন।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা যে থ্রেডহোল্ড (ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সম্মতির হার) ১৫ শতাংশে নিয়ে এসেছি, তারা এটির প্রশংসা করেছেন। তারা চান এটা আরও কমে আসুক। আমরা যে বাস্তবতার কথা বলেছি, আমরা ২০১৭ সালে কমিটমেন্ট দিয়েছিলাম, এটা আমরা ধীরে ধীরে নামাবো। কমিটমেন্ট অনুযায়ী আমরা ধীরে ধীরে নামাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের উভয় পক্ষের অবস্থান পরিষ্কার হয়েছে এবং উভয় পক্ষই সে অবস্থা বুঝতে পেরেছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category