বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
Title :
৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, মাগুরায় জিএম বরখাস্ত; মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ মিরপুরের সংঘর্ষে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু আহত চীনা প্রকৌশলীকে দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনতার মুখোমুখি মসিক প্রশাসক, উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার মৌলভীবাজারে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ‘কার্ড দেব, চাকরি দেব, বিনিময়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে’ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে দিনভর নানা কর্মসূচি

নিঃসঙ্গতার সঙ্গী হবে খুবি শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট

  • Update Time : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৯৮ Time View

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী তৈরি করেছে রোবট Zee (জি)। তারা হচ্ছে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইন্জিনিয়ারিং ( ইসিই) ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চিরঞ্জিত বিশ্বাস  রহিত এবং সামিয়া ইন্তেসার।

একই ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহ্সান এর তত্বাবধানে চতুর্থ বর্ষের গবেষণা প্রজেক্ট হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার টাকা ব্যয়ে  এ রোবটটি  তৈরি করেন তারা। সম্পূর্ণ ভয়েস নিয়ন্ত্রিত এ রোবটটি  বয়স্ক মানুষদের নিঃসঙ্গতায় সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি বাচ্চাদের শিক্ষা দান ও ধর্মীয় শিক্ষায় ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।

উদ্ভাবকরা জানান, সেন্টার প্রসেসর হিসেবে আমরা জেটসন ন্যানো ইউজ করেছি। মূলত আমাদের প্রজেক্টটি ছিলো বয়স্ক ব্যক্তিদের নিঃসঙ্গতার সহিত হতে পারবে এমন একটি রোবট তৈরি করা। রোবটটি সম্পূর্ণ ভয়েস নিয়ন্ত্রিত। রোবটটি ব্যবহারকারীর কথা শুনতে পারে এবং প্রতিউত্তর করতে পারে। এছাড়া মানুষের নির্দেশনা অনুযায়ী চলাচল করতে পারে, কথা বলতে পারে, গান শুনাতে পারে, যে কোন বিখ্যাত ব্যাক্তি সম্পর্কে তথ্য জানাতে পারে।এছাড়াও এটি বাচ্চাদের শিক্ষা দানের সহায়ক এবং ধর্মীয় শিক্ষার জন্য ব্যবহার করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এটি আপডেট করা যাবে।

গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহ্সান বলেন, বর্তমান বিশ্বে সবদিক বিবেচনা করলে রোবট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রোবট নিয়ে কাজ করাও ব্যয়বহুল যা অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টসাধ্য। তবুও আমরা চেষ্টা করেছি অল্প খরচে ভালো একটা প্রজেক্ট তৈরি করতে। এ রোবটটি যেমন বয়স্কদের নিঃসঙ্গতা কাটাতে ব্যবহার করা যাবে তেমন বাচ্চাদের শিক্ষায় ও ব্যবহার করা যাবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছে যারা সুযোগ পেলে অনেক ভালো কিছু করবে কিন্তু অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে তারা পিছিয়ে যাচ্ছে।  যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরো সুযোগ করে দেয়া হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি এসব সেক্টর এগিয়ে যাবে।

উদ্ভাবকরা তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,  শ্রদ্ধেয় শামীম স্যারের নির্দেশনায় দীর্ঘ নয় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পরে এ রোবটি তৈরি করতে পেরেছি। রোবট নিয়ে কাজ করা সব সময় কৌতূহলপূর্ণ। আশা করছি সামনে আরো ভালো কিছু করতে পারবো। তারা এ দীর্ঘ সময়ে যারা পাশে ছিলো সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান এবং সবার নিকট দোয়া কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category