মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
Title :
নাগরপুরে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর গণমিছিল তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবে বাংলাদেশ: সোহেল ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত ইসির গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে: জামায়াত নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট: দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ নির্বাচনের আগে পদোন্নতি পেলেন ১৫৩ পুলিশ কর্মকর্তা ডিএনসিসির নতুন প্রশাসক সুরাইয়া আখতার আজ ঢাকার ৮ স্থানে তারেক রহমানের নির্বাচনী পথসভা দেশের বাজারে ফের লাফিয়ে বাড়লো স্বর্ণের দাম: ভরি এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ছাড়ালো নির্বাচনের আগে ১০৫ আসনে এগিয়ে জামায়াত, বিএনপি ১০১টিতে : জরিপ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘শেষ বৈঠক’ আজ

নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘শেষ বৈঠক’ আজ

  • Update Time : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুদিন আগে আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের সম্ভবত শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সরকারের জ্যেষ্ঠ সচিবদের সঙ্গে পৃথক দুটি বৈঠকে মিলিত হবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটিই হতে পারে বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের শেষ আনুষ্ঠানিক ও বিদায়ী সভা। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সকাল সোয়া ১০টায় এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা সরকারের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কর্মরত ৭৫ জন সচিবের সবাইকেই এ বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া ১৬ জন সচিবও রয়েছেন।

সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

সূত্র জানায়, আজকের বৈঠকে মূলত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রধান উপদেষ্টা সচিব ও উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর রাষ্ট্র পরিচালনার পর একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দ্বারপ্রান্তে এখন এই প্রশাসন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এবার সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের নজির স্থাপিত হতে পারে। যদি দেখা যায় তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন, তবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার শপথ নিতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে গড়াবে।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সরকারের নিয়মিত প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমের একটি আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি টানা হতে পারে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে জরুরি কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হলে উপদেষ্টা পরিষদের আর কোনো বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আজকের বৈঠকে সচিবদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে মূলত নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সময়ের প্রশাসনিক কর্মপন্থা ঠিক করে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category