সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করা সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক। গণভোটের প্রচার এবং ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সিনিয়র সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোনো পক্ষের হয়ে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। একটি নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার গঠনের লক্ষ্যে গণভোট বিষয়ে ব্যাপক প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বিশেষভাবে গ্রামীণ এলাকার নারী ভোটারদের গণভোটের বিষয়টি সহজভাবে বোঝানো এবং ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কার্যকর প্রচারকৌশল গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিনিয়র সচিব রাজশাহীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা বিষয়ে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।