বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
Title :
খান জাহান আলীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী জামিনের বিষয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিকের ওপর চড়াও পরীমনি তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমিরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে পারছে না সরকার: নাহিদ দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজের নতুন এট্রি লেভেল ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস২৬ এফই এনেছে স্যামসাং হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও সংঘর্ষ, মহাসড়ক অবরোধ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করায় গ্রেপ্তার ১ হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপত্তায় পাশে থাকবে ইরান যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২

তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমিরের

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৫ Time View

গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

স্বামীকে হারিয়ে ১১ মাসের শিশুসন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া তৌফিকের স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরিবারের দায়িত্ব ও বর্তমান দুরবস্থার খোঁজ নিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান জামায়াত আমির।

ফোনালাপে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তৌফিক ও তার বড় ভাই একই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা দুই ভাইকে জীবনে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। চোখের সামনে ছোট ভাইকে হারিয়ে এবং শেষবারের মতো কথা বলতে না পারার বেদনায় ভেঙে পড়েছেন বড় ভাই।

জামায়াত আমিরের পোস্টে বলা হয়, তৌফিক ও তার বড় ভাই দুজনই এতিম। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা দুই ভাই একই পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। শ্রমিক আন্দোলনের সময় বড় ভাইয়ের চোখের সামনেই ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরও তৌফিক সংজ্ঞাহীন থাকায় তার সঙ্গে শেষবারের মতো কথা বলার সুযোগ পাননি বড় ভাই।

তৌফিকের পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান জানান, অভাবের কারণে তৌফিকের স্ত্রীও আগে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তবে একমাত্র সন্তানের জন্মের পর তার দেখাশোনার জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। বর্তমানে শিশুটির বয়স মাত্র ১১ মাস। স্বামীকে হারিয়ে সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার।

পরিবারটির নিজস্ব কোনো বসতভিটাও নেই। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তাদের মাথা গোঁজার মতো এক ইঞ্চি জমিও নেই। বর্তমানে স্বামীর চাচার ছোট একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন তৌফিকের স্ত্রী ও সন্তান।

তৌফিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দরিদ্র মানুষের বিচার পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সংশয় থাকলেও তারা ন্যায়বিচারের দাবি জানাবেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গেলে অসহায় স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাবেন।

সবশেষে তিনি বলেন, “আমরা ইনশাআল্লাহ এই পরিবারের পাশে থাকব। আল্লাহ তাআলা এই অসহায় পরিবারের সহায় হোন। আমিন।”

নিহতের পরিবারের সঙ্গে ফোনালাপের সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের গাইবান্ধা জেলা শাখার আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল করিম, সাবেক জেলা আমির ও গোবিন্দগঞ্জ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম সরকার, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমিরসহ স্থানীয় নেতারা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নিতে ও সান্ত্বনা জানাতে তারা সেখানে উপস্থিত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category