রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
Title :
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরায় চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়: গণপূর্ত মন্ত্রী ফেনীতে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল প্রতিশোধ নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি-অবহেলায় বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আধিপত্য প্রতিষ্ঠা মানবকল্যাণ বয়ে আনতে পারে না: তথ্যমন্ত্রী এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা!

টিসিবির পণ্য পাবে ৪০ লাখ শ্রমিক

  • Update Time : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৭ Time View

৪০ লাখ শ্রমিককে টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পণ্য দেবে সরকার। আগামী ১ অক্টোবর থেকে শ্রমঘন এলাকায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে গ্রামীণফোনের চেক গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

শ্রম উপদেষ্টা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের যে ব্যবস্থাগুলো আছে সেগুলো যদি আমরা সচল করতে পারি তাহলে বাংলাদেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। নতুন কিছু না করলেও।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে শ্রমিকদের যে ১৮টি দফা ছিল মালিক এবং শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সেই দফাগুলোর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যে দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জোর দেওয়া হচ্ছে।আগামী ১ অক্টোবর থেকে শ্রমঘন এলাকায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। শ্রমিকরা ন্যায্যমূলে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন।

শ্রম সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, আমরা শ্রমিকদের জন্য সুখবর দিতে চাই। শ্রমিকদের ১৮ দফার মধ্যে একটি বিশেষ দফা ছিল তাদের রেশনের বিষয়। সেটা নিয়ে আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছি। আজ আমরা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ১ অক্টোবর আশুলিয়ায় টিসিবির পণ্য শ্রমিকদের বিতরণের জন্য উদ্বোধন করবো। টিসিবির আওতায় এক কোটি পরিবারের বাইরে অতিরিক্ত হিসেবে শ্রমঘন এলাকায় আমরা বাড়াবো। উপদেষ্টা উপস্থিত হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। আমরা ৪০ লাখ শ্রমিককে পর্যায়ক্রমে টিসিবির ন্যায্য মূল্যের পণ্য দেব।

আসিফ মাহমুদ বলেন, মূলত শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। কিন্তু আমাদের অধিকাংশ শ্রমিকই জানে না যে তাদের জন্য এমন একটি ফান্ড রয়েছে। কীভাবে আবেদন করতে হবে হয়তো সেই প্রক্রিয়াটাও জানা নেই। এরই মধ্যে এই ফান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে অস্বচ্ছতা এবং অনেক প্রশ্ন ছিল।তিনি বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো কোনো সমস্যা থাকলে সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ২৮৫ জন শ্রমিককে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।‌ ১৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এখন তহবিলে জমা আছে এক হাজার ২৬ কোটি টাকা বলেও জানান উপদেষ্টা।

শ্রম উপদেষ্টা বলেন, এটা শ্রমিকদেরই অর্থ। কোম্পানিগুলো এখানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটা আমাদের কাছে আমানত হিসেবে রাখে। আমরা সেটা সঠিকভাবে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এই তথ্যগুলো যে কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ করে তারাও যাতে দেখতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রমিকরা আবেদন করলে যাতে তারা ফলোআপটা রাখতে পারেন তার আবেদনটা কোন অবস্থায় আছে, সেজন্য এটাকে আমরা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা নিয়েছি। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমরা এটার বিতরণ করবো।

আসিফ মাহমুদ বলেন, যে কোম্পানিগুলো এ তহবিলে অংশগ্রহণ করছেন না তাদের কীভাবে এর আওতাভুক্ত করা যায় আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবো।উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিকদের ১৮ দফার সমাধান আমরা দিয়েছি। যে দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে।যেখানে শ্রমিকরা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন শ্রম কর্মসংস্থান উপদেষ্টা।দু-একটি জায়গায় এখনো শ্রমিক অসন্তোষ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category