মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পর্তুগালের লিসবনে ডেইলি বাজারের যাত্রা শুরু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরএমপির মতবিনিময় ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ হরমুজ প্রণালিতে বন্ধু দেশগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেবে ইরান

আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, বিক্রি করি না:সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৬৫ Time View

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। সেটার সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। বরং যারা অভিযোগ তুলে তারাই বিক্রি হয়।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতের ট্রেন চলাচলের বিষয়ে সমঝোতা নিয়ে যারা দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন তাদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কিসের মাপে দেশ বিক্রি হচ্ছে, বিক্রিটা হয় কীভাবে?

শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চুক্তির সমালোচনা হবে কেন? এ চুক্তির ফলে আমি দেশটাকে কীভাবে বিক্রি করে দিলাম? স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেই আমরা দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো করেছি। আমরা দেশ বিক্রির জন্য কোনো চুক্তি করিনি। শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির জন্য কোনো চুক্তি করে না।

তিনি বলেন, যারা সমালোচনা করে, তাদের জানা উচিত, একটি মাত্র মিত্রশক্তি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। বিশ্বে যারাই অন্য দেশকে স্বাধীনতায় সহযোগিতা করেছে, তারা কিন্তু ফেরত যায়নি। একমাত্র ভারত ব্যতিক্রম।

তিনি বলেন, ২১ ও ২২ জুন আমি রাষ্ট্রীয় দ্বিপাক্ষিক সফর করেছি। একই মাসে সরকার প্রধান হিসেবে দুইবার দিল্লি সফর আমার জন্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এসবই আমাদের দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করার প্রমাণ বহন করে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের নতুন সরকার গঠনের পর এটিই ছিল কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। একইসঙ্গে ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনের পর ভারতেও ছিল এটি প্রথমবারের মতো কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর। এটি অবশ্যই আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক বিশেষ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও নিকটতম প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সূচনা হয় তাকে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

‘দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছি’‘দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছি’

শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের টানা তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার নবগঠিত মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমি ৮ থেকে ১০ জুন নয়াদিল্লি সফর করি। সেখানে প্রতিবেশী দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি আমন্ত্রিত ছিলেন। সেই সফরে আমি ভারতের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত দক্ষিণ এশিয়াসহ অন্যান্য দেশগুলোর একাধিক সরকার প্রধানের সঙ্গে মতবিনিময় করি।

পাশাপাশি আলাদাভাবে আমার সঙ্গে ভুটান এবং শ্রীলঙ্কার সরকার প্রধানদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। এসব আলোচনা ও বৈঠক আমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে গত ২১ জুন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category