শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
Title :
৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, মাগুরায় জিএম বরখাস্ত; মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ মিরপুরের সংঘর্ষে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু আহত চীনা প্রকৌশলীকে দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনতার মুখোমুখি মসিক প্রশাসক, উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার মৌলভীবাজারে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ‘কার্ড দেব, চাকরি দেব, বিনিময়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে’ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে দিনভর নানা কর্মসূচি

চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড ৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রা, গলে যাচ্ছে রাস্তার পিচ

  • Update Time : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭৫ Time View

চুয়াডাঙ্গায় তীব্র দাবদাহের পর আজ থেকে অতি তীব্র দাবদাহ শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন সড়কে রাস্তার পিচ গলে যেতে দেখা গেছে। তবে এতে যান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) খন্দকার গোলাম মোস্তফা।

শনিবার দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১৮ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, পুরো এপ্রিল মাসজুড়ে এমন তাপপ্রবাহ থাকতে পারে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা জানান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আগামী আরও কিছুদিন তীব্র দাবদাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এমতাবস্থায় ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯-২০ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এছাড়া ২০০৫ সালের ২ জুন ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০১২ সালের ৪ জুন ৪২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০০৪ সালের ১৩ মে ৪২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এদিকে তীব্র দাবদাহে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। শহরের বেশ কিছু সড়কের পিচ গলে যেতে দেখা গেছে। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে না যেতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের অলিগলি, গ্রামগঞ্জে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আতাউর রহমান বলেন, তীব্র দাবদাহে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। অতি প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে বের না হতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালে গরম জনিত রোগীর চাপ নেই। হয়তো কদিন পর থেকে বাড়তে পারে।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, তীব্র দাবদাহে রাস্তার পিচ গলে যেতে পারে। এতে যান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। আমাদের টিম সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করছে। যেখানে পিচ গলে গেলে আমরা দ্রুত মেরামত করব।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, শনিবার দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ থেকে জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তথ্য অফিসের সহায়তায় জেলার সব স্থানে মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করা হচ্ছে। তারা যেন অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাহির না হয়। সন্ধ্যার পর শরবত, পানি ও ফলমূল বেশি বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category