ভারতের পার্লামেন্ট ভবনে ‘রঙ বোমা’ হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যা চেয়ে হট্টগোল করায় ও ঔদ্ধত্য আচরণের দায়ে নতুন করে ৭৯ সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার লোকসভার ৩০ ও রাজ্যসভার ৩৫ সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লোকসভার তিনজন ও রাজ্যসভার ১১ জন সদস্যকে ‘বিশেষ জোনে’ রাখা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) লোকসভার ১৪ ও রাজ্যসভার একজন সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। সেই হিসেবে রঙ বোমাকাণ্ডে সংসদের উভয়কক্ষ থেকে ৯৪ জন সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার বরখাস্ত হওয়া এমপিদের মধ্যে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং উপনেতা গৌরব গগৈও রয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েনকে বরখাস্ত করা হয়।
জানা গেছে, সংসদে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী দুই যুবক ও তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনার জেরে পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় এমপিরা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র জবাবদিহিতা চান। পাশাপাশি তারা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে ওই ঘটনার ওপর বক্তব্য দিতে বলেন। আর এ নিয়েই শুরু হয় হট্টগোল।
সোমবার বরখাস্ত হওয়া এমপিদের মধ্যে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং উপনেতা গৌরব গগৈও রয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েনকে বরখাস্ত করা হয়।
জানা গেছে, সংসদে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী দুই যুবক ও তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনার জেরে পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় এমপিরা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র জবাবদিহিতা চান। পাশাপাশি তারা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে ওই ঘটনার ওপর বক্তব্য দিতে বলেন। আর এ নিয়েই শুরু হয় হট্টগোল।গত বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) লোকসভায় অধিবেশন চলাকালে স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে সেখানে ঢুকে রঙ বোমা ছোড়েন দুই যুবক। কেউই এ ঘটনায় হতাহত হয়নি, তবে গোটা অধিবেশন কক্ষে সে সময় বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। পার্লামেন্টে জঙ্গি হামলা হয়েছে- এমন আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন অনেক সদস্য।
সূত্র: এনডিটিভি