মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
Title :
ইপসউইচ ইজতেমা: আমরা কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক বার্তা রেখে যাচ্ছি-মাহবুবুল করিম সুয়েদ বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা এবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি রিজভীর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের সংঘাতের মধ্যেই তেহরানে অবতরণ করেছে রাশিয়ার কমান্ড পরমাণু বিমান বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাতক শেখ হাসিনাকে জেলে যেতেই হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী ‘কঠিন সময়ে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছে মালদ্বীপ’ ওয়াশিংটনের আক্রমণের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের পাল্টা হামলা

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭১ Time View

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রতারণা মামলায় বনানী থানার বরখাস্তকৃত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানা ও সোনিয়া মেহজাবিনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দাশের আদালত এই আদেশ দেন। মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ জানান, দীর্ঘ তদন্তের পরে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত তা গ্রহণ করে ই-অরেঞ্জের মূল মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন, ই-অরেঞ্জ মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শেখ সোহেল রানা এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, বীথি আক্তার, জায়েদুল ফিরোজ ও নাজমুল হাসান রাসেল।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে বিগত ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর প্রতারণার অভিযোগে চট্টগ্রামে মামলা দায়ের করেন রিয়াজুদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী নুরুল আবসার পারভেজ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বিভিন্ন সময় পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জকে অর্থ প্রদান করেন বাদী। নির্দিষ্ট সময়ের পরও তাকে কোনো পণ্য সরবরাহ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার নেওয়ার পর থেকে ই-অরেঞ্জ কর্তৃপক্ষ ফেসবুকে নোটিশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দেয়। কিন্তু তারা পণ্য সরবরাহ না করে দেশের প্রায় ১ লাখ গ্রাহকের ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

এর মধ্যে বাদিসহ তিনজনের ১১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকাও রয়েছে।জানা গেছে, ই-অরেঞ্জের সঙ্গে সম্পৃক্ত সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় মামলা হতে থাকলে, তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারত চলে যান। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা অনুপ্রবেশের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত থেকে তাকে আটক করেন।

অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের আদালতে তার তিন বছরের জেল হয়। পরে ৫ সেপ্টেম্বর সোহেলকে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ।ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ২৮টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। একটি মানিলন্ডারিং, দুটি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে এবং বাকিগুলো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category