শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
Title :
৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, মাগুরায় জিএম বরখাস্ত; মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ মিরপুরের সংঘর্ষে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু আহত চীনা প্রকৌশলীকে দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনতার মুখোমুখি মসিক প্রশাসক, উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার মৌলভীবাজারে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ‘কার্ড দেব, চাকরি দেব, বিনিময়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে’ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে দিনভর নানা কর্মসূচি

শিক্ষার্থীদের প্রতারণার কাজে লাগাচ্ছে চাইনিজরা

  • Update Time : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৫ Time View

অনলাইনে জুয়া, পণ্য বিক্রি ও মার্কেটিং সাইট খুলে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করে আসছিল চাইনিজ একটি চক্র। চক্রটির ১২ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তারই ধারাবাহিকতায় চক্রটির আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা সকলে চায়নায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রাতুল, রাজু ও মামুন। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এই তিনজন ছাড়াও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দিয়ে চাইনিজরা বিভিন্ন প্রতারণার কাজ করছে। তাদের কাজে লাগিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চাইনিজ সেই চক্র। তবে মূল ব্যক্তিরা এখনো অধরা। তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

শনিবার (১৬ মার্চ) মিন্টো রোডে ডিবির নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

ডিবি প্রধান বলেন, চাইনিজরা যেহেতু এ দেশের ভাষা জানে না, তাই তারা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যারা সেখানে পড়তে যাচ্ছে (বিশেষ করে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়) তাদেরকে কাজে লাগাচ্ছে। কিছু শিক্ষার্থীকে সেখান থেকে আবার কিছু দেশে পাঠিয়ে এ কাজ করছে। এজন্য যে বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হয় সেই কাজটি সারছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে। আর যেসব শিক্ষার্থী এসব কাজ করছেন তারা সাময়িক লাভের আশায় এসব করছে।

হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি তারা সেখানে গিয়েছিল এবং সেই দেশের ভাষা শিখেছে। চক্রটির সঙ্গে তাদের সখ্যতা গড়ে ওঠে। তাদের মূলহোতা হলেন একজন চাইনিজ। তার নাম চিংচং। তিনি চায়নায় একটি সার্ভার স্থাপন করেছেন। প্রাথমিক অবস্থায় তারা কিছু মানুষকে প্রলোভন দেখায়। স্বল্প সময়ে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা আয় করে সেই টাকা আবার তারা ক্রিপটোকারেন্সির মাধ্যমে চায়নায় পাঠাতো। তারা মার্কেটিং সাইট, ব্যাটিং সাইট খুলে প্রতারণা করত।

ডিবি প্রধান বলেন, তারা এ কাজে ৭০ থেকে ৮০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন। বিকাশ, নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে টাকাগুলো নিয়ে পরে ক্রিপটোকারেন্সির মাধ্যমে চায়নায় পাঠিয়ে দিতো। এরপর সেই মোবাইলগুলো তারা বন্ধ করে দিতো। এই চাইনিজদের অনেকে বাংলাদেশে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করে করে। আমরা তাদের তথ্য পেয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category