বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
Title :
বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনে লড়তে বাধা নেই: চট্টগ্রাম-২ আসন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা টিউলিপ সিদ্দিকীর ৪ বছরের কারাদণ্ড, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে লেবার পার্টির ক্ষোভ প্রতিপক্ষকে প্রকাশ্যে বিতর্কে বসার আহ্বান জামায়াত আমিরের কংগ্রেসের তদন্তে সাক্ষ্য দিতে রাজি বিল ক্লিনটন ও হিলারি: এপস্টেইন কেলেঙ্কারি জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন রাবির ২৫ সাবেক শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক শক্তি সুপরিকল্পিতভাবে মাঠে নেমেছে: যশোরে তারেক রহমান স্ত্রীসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি গ্রেপ্তার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে হত্যাকাণ্ড

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ২১৩ Time View

কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরে একের পর এক হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। দুর্বৃত্তরা সন্ধ্যা নামলেই ক্যাম্পে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করছে। গত ৩ মাসে রোহিঙ্গাদের দুই নেতাসহ খুন হয়েছে ১২ জন। এর মধ্যে চলতি মাসেই ক্যাম্পে গুলিতে ও কুপিয়ে দুই রোহিঙ্গা নেতাসহ ৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে বুধবারও (২৬ অক্টোবর) উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে দুর্বৃত্তরা ঘর থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে এক রোহিঙ্গা যুবককে।


এপিবিএন জানায়, বুধবার ভোর রাতে ১৫ থেকে ২০ জনের একদল দুর্বৃত্ত ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে জসিমকে তুলে নেয়। পরে ক্যাম্পের একটি গলিতে নিয়ে বুকে ৩টি গুলি করে। জসিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

উখিয়াস্থ ৮ এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার (অপস্ এন্ড মিডিয়া) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি, ব্লক রেইড ও অভিযান অব্যাহত আছে। ক্যাম্পে সার্বিক পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

 


তিনি এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি, ব্লক রেইড ও অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেন।

এদিকে ক্যাম্পে একের পর এক হত্যাকাণ্ডে শঙ্কিত স্থানীয়রা। তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, দ্রুত ক্যাম্পের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানোর।
উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পে সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই বাহিনীগুলোকে এখনি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। আমাদের জোর দাবি থাকবে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী বাহিনীগুলোকে দমনে একটি যৌথ অভিযান চালাতে। যেখানে এপিবিএন, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি; প্রয়োজনে সেনা বাহিনী সহ যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের দমন করতে হবে। আর তাদের হাতে থাকা ভারী অস্ত্রগুলো যাতে উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ার ও টেকনাফের ৩২টি আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। যাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এপিবিএনের ৩টি ব্যাটালিয়ন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category