ম্যাচ একেক সময় হেলে পড়ে একেক পক্ষে। ডেভাল্ড ব্রেভিস আরও একবার জ্বলে উঠেছিলেন কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাড়ায় বল হাতে। এরপর রান তাড়া ভিত গড়ে দেন মিচেল মার্শ কিন্তু ধস ধরে অজিদের মিডল অর্ডারে। ধ্বংসস্তূপে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দেখান তার স্কিল এবং দক্ষতা। অস্ট্রেলিয়াও জয় পেয়ে যায় ১ বল হাতে রেখে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নাটকীয় ম্যাচে ২ উইকেটের জয়ে টি-টোয়েন্টি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকরা।
আজ শনিবার (১৬ আগস্ট) কেয়ার্নসে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে ১৭২ রানের পুঁজি পায়। সবচেয়ে বড় অবদান ছিল ব্রেভিসের। ৫৩ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন তরুণ এই প্রোটিয়া। তার ২৬ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ৬টি ছক্কার মার। ১১.৪ ওভারে ব্রেভিস যখন সাজঘরে ফেরেন তখন দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ১১০ রান। এরপরই ব্যাটিং ধসে গতি কমে যায় সফরকারীদের।
শেষ ৫২ বলে মাত্র ৬২ রান তুলতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। এটাও সম্ভব হতো না যদি রাশি ফন ডার ডাসেন শেষ দিকে ঝড় না তুলতেন। তিনি অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৩৮ রান করে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন নাথান এলিস। জশ হ্যাজলউড এবং অ্যাডাম জাম্পা ২টি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় অজিদের শুরুটা ছিল দারুণ। ট্রাভিস হেড এবং মিচেল মার্শের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। হেড ১৮ বলে ১৯ রান থামেন। অধিনায়ক মার্শ তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। ৩৭ বলে ৩ চার এবং ৫ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তিনি। উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই ছন্দ হারায় অস্ট্রেলিয়া। চোখের পলকে তাদের স্কোরকার্ড হয়ে যায় ৪ উইকেটে ৮৮ রান! সেখান থেকে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকলে ম্যাচ হেলে পড়ে প্রোটিয়াদের পক্ষে।
যখন জয় দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, তখনই আবির্ভাব গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। দল জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন এই অলরাউন্ডার। ৩৬ বলের ইনিংসে ৮ চার এবং ২ ছক্কা মারেন তিনি। অপরাজিত ৬২ রানে বনে যান অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। সিরিজসেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার টিম ডেভিড।