বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
Title :
বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনে লড়তে বাধা নেই: চট্টগ্রাম-২ আসন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা টিউলিপ সিদ্দিকীর ৪ বছরের কারাদণ্ড, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে লেবার পার্টির ক্ষোভ প্রতিপক্ষকে প্রকাশ্যে বিতর্কে বসার আহ্বান জামায়াত আমিরের কংগ্রেসের তদন্তে সাক্ষ্য দিতে রাজি বিল ক্লিনটন ও হিলারি: এপস্টেইন কেলেঙ্কারি জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন রাবির ২৫ সাবেক শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক শক্তি সুপরিকল্পিতভাবে মাঠে নেমেছে: যশোরে তারেক রহমান স্ত্রীসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়া থেকে অনিয়মিত প্রবাসীদের দেশে ফেরার সুযোগ

  • Update Time : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪
  • ৬১ Time View

মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে দেশটির সরকার।শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি (পিআরএম)।এ কর্মসূচির মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে সে দেশের সরকার।

প্রত্যাবাসন কর্মসূচিগুলো হল- ১ মার্চ থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। এসময় কাউকে গ্রেপ্তার বা জেলে পাঠানো হবে না।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক, দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে নথিপত্রবিহীন বিদেশি, যারা আত্মসমর্পণ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো বিচার ছাড়াই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

তবে অভিবাসন অপরাধের জন্য তাদের জরিমানা দিতে হবে। নতুন কর্মসূচির আওতায় কোনোরকম নথিপত্র ছাড়া মালয়েশিয়া প্রবেশ করে থাকলে তাদের ৫০০ রিঙ্গিত আর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে খুব বেশি দিন হয়নি এমন অবৈধ অভিবাসীদের জন্য জরিমানা দিতে হবে ৩০০ রিংগিত।

তবে, যাদের আটক করা হচ্ছে, রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে এবং চার্জ করা হচ্ছে তারা পিআরএম প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের যোগ্য নয় বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক রুসলিন জুসোহ। তিনি আশা করেন, ৩ থেকে ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসী এ কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

যারা দেশে ফিরবেন তারা ইমিগ্রেশন অফিসে যে নথিগুলো আনতে হবে তা হলো- তাদের ফ্লাইট টিকিট, বৈধ ভ্রমণ নথি (পাসপোর্ট), পাসপোর্ট না থাকলে নিজ দূতাবাস থেকে ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিট- যাকে বলা হয় ট্রাভেল পাস।

রুসলিন আরও বলেন, পিআরএম প্রোগ্রাম সফল করতে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশসহ বিদেশি দূতাবাসগুলোর সহযোগিতা চাইতে শিগগিরই দূতাবাসগুলোর সাথে আলোচনায় বসবে অভিবাসন বিভাগ।টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসে আত্মসমর্পণ করার পর অভিবাসীদের ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে।জরিমানা দিতে হবে না ১৮ বছরের কম বয়সীদের।

জরিমানা (কম্পাউন্ড) পরিশোধের বিষয়ে রুসলিন বলেন, বিভাগ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পিআরএম বাস্তবায়নে কোনো এজেন্ট নিয়োগ করেনি। শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা টাচ এন গো ই-ওয়ালেটের মতো ইলেকট্রনিক পেমেন্ট মোডগুলো জরিমানা পরিশোধের জন্য গৃহীত হবে।দালালদের খপ্পরে না পড়ে সরাসরি ইমিগ্রেশনে যোগাযোগ করতে অভিবাসীদের সতর্ক করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category