ফেনীতে রহস্যজন আগুনে ঝলসে গেছে কলেজ পড়ুয়া এক ছাত্রীর শরীর। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের লক্ষিয়ারা স্কুল গেটে।
মাশকুরা আক্তার মোমো (১৮) নামে দগ্ধ ওই ছাত্রী ফেনী শহরের পাঠানবাড়ি এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে ও স্থানীয় ন্যাশনাল কলেজ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার পিতা আবদুল মালেক লক্ষিয়ারা ইসলামিয়া আলীম মাদরাসার অফিস সহায়ক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মোমোর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষিয়ারা ইসলামিয়া আলীম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমরা মাদরাসার মিটিংয়ে ছিলাম। এ সময় একটি ছেলে এসে জানায় মোমোর শরীরে আগুন লেগেছে। এরপর তার পিতা ও আমি তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য একটি সিএনজি করে ফেনী হাসপাতালে নিয়ে আসি। তবে,আগুন লাগার আসল কারণ কি, তা জানি না।
ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি মেডিকেল অফিসার ডা. সাঈদুর রহমান বলেন, শরীর ঝলসানো একটি রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তার শরীরের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গেছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল অথবা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন লাগানো হতে পারে।
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই মেয়েটিকে দেখে এসেছেন।তিনি জানান,মেয়েটির শরীরে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। তদন্তে বিস্তারিত বেরিয়ে আসবে।