মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
Title :
বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা এবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি রিজভীর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের সংঘাতের মধ্যেই তেহরানে অবতরণ করেছে রাশিয়ার কমান্ড পরমাণু বিমান বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাতক শেখ হাসিনাকে জেলে যেতেই হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী ‘কঠিন সময়ে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছে মালদ্বীপ’ ওয়াশিংটনের আক্রমণের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের পাল্টা হামলা ইউরোপে ৮ দিনের তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল ১০ হাজারের বেশি মানুষের

ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি আইএমএফ বোর্ডে অনুমোদন

  • Update Time : বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭৪ Time View

বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ)। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে এই ঋণ অনুমোদন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার পাবে বাংলাদেশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একজন নির্বাহী পরিচালক জানিয়েছেন, আইএমএফর বোর্ড সভায় দ্বিতীয় কিস্তির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার শিগগির পাওয়া যাবে। তাছাড়া চলতি মাসে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে আরও প্রায় ৪০ কোটি ডলার পাওয়া যাবে। সবমিলিয়ে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে ১.০৮ বিলিয়ন ডলার আসছে। এসব অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যুক্ত হলে রিজার্ভের পরিমাণও বেড়ে যাবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় রিজার্ভ বাড়বে না বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা রয়েছে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য গত জুনভিত্তিক বিভিন্ন সূচকে শর্ত পালনের অগ্রগতি দেখতে ৪ অক্টোবর আইএমএফের একটি মিশন ঢাকায় আসে। মিশনের নেতৃত্ব দেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিশনকে জানানো হয়, অন্যান্য শর্তের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা কারণে রিজার্ভ এবং রাজস্ব আয় সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। দেশের জাতীয় নির্বাচনের পর এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হবে। মিশনটি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং দপ্তরের সঙ্গে টানা ১৬ দিন বৈঠক করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category