বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
Title :
জবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না: গালিবাফের হুঁশিয়ারি শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা আজ রাতেও ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের তদন্ত ফিফার কাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য, যুক্তরাষ্ট্রের ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের কারণ কী? বিনিয়োগ করতে চায় তুরস্ক, স্বাগত জানালো বাংলাদেশ ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: ডেল্টাগ্রামের জরিপ

গাজায় ত্রাণে বাধা দেওয়ার অজুহাত আর ইসরায়েলের নেই: জার্মানি

  • Update Time : শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৬৪ Time View

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলের কোনো বাধা মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে জার্মানি। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) ফেসবুকে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যানালেনা বেয়ারবক বলেন, গাজায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলের আর কোনো অজুহাত শুনবে না বার্লিন।

ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির পর গাজায় আরও বেশি মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য নতুন দুটি করিডোর খোলার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় বেসামরিক নাগরিক হত্যা বন্ধ করতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে আলটিমেটাম দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ইসরায়েল-হামাস সংঘাত শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম গাজার উত্তরাঞ্চলের ইরেজ গেট সাময়িকভাবে খুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিলো ইসরায়েল। এর পাশাপাশি আশদোদ বন্দরও খুলে দেওয়া হবে। এছাড়া কেরেম শালোম ক্রসিং দিয়ে জর্ডান থেকে আরও বেশি ত্রাণ প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

এমন পরিস্থিতিতে ফেসবুকে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো অজুহাত নেই ইসরায়েলের কাছে। গাজার সব মানুষের এখন ত্রাণের প্রয়োজন। আমরা আশা করি, ইসরায়েলি সরকার তার ঘোষণাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।

সোমবার (১ এপ্রিল) গাজায় ত্রাণসহায়তা সংস্থা ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের (ডব্লিউসিকে) গাড়িবহরের ওপর বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সাত ত্রাণকর্মীর মৃত্যু হয়। নিহত দলটি ডব্লিউসিকে লোগোযুক্ত গাড়িতে করে একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়।

ডব্লিউসিকে’র গাড়িবহরে বিমান হামলার পর রাজনৈতিক চাপে পড়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সবচেয়ে বড় চাপ এসেছে পরম মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে। ফোনালাপে করিডরগুলো পুনরায় খুলে দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন বাইডেন।

মূলত আলটিমেটাম দিয়ে নেতানিয়াহুকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি রোধে ও ত্রাণকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃঢ় পদক্ষেপ নিন। তা না হলে গাজা নিয়ে করা মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন আসবে।

সূত্র: এএফপি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category