বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
Title :
জবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না: গালিবাফের হুঁশিয়ারি শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা আজ রাতেও ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের তদন্ত ফিফার কাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য, যুক্তরাষ্ট্রের ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের কারণ কী? বিনিয়োগ করতে চায় তুরস্ক, স্বাগত জানালো বাংলাদেশ ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: ডেল্টাগ্রামের জরিপ

জাতিসংঘের প্রস্তাবে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি ভারত

  • Update Time : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৬৮ Time View

ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত একটি খসড়া প্রস্তাবে ভোট দেয়নি ভারত। এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে দেশটির যুক্তি, শুধু ইসলাম ধর্ম নয়; হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ ধর্মের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং বৈষম্যের ব্যাপকতাকেও স্বীকার করতে হবে।

গত শুক্রবার (১৫ মার্চ) জাতিংঘের সাধারণ পরিষদে ‘ইসলামবিদ্বেষ মোকাবিলায় ব্যবস্থা’ শীর্ষক খসড়া প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিল পাকিস্তান এবং চীন। এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ১১৫টি দেশ। কেউ বিপক্ষে না থাকলেও ভোটদানে বিরত ছিল ভারত, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, ইউক্রেনসহ ৪৪টি দেশ।জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কাম্বোজ ইহুদিবিদ্বেষ, খ্রিস্টানবিদ্বেষ, ইসলামবিদ্বেষ প্রসূত সব ধরনের কাজের নিন্দা জানান। কিন্তু তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রেও এ ধরনের বিদ্বেষ রয়েছে, তা স্বীকার করা গুরুত্বপূর্ণ।জাতিসংঘের প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকার ব্যাপারে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে নন-আব্রাহামিক ধর্মের অনুসারীরাও ধর্মীয়বিদ্বেষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার প্রমাণ স্পষ্ট। এটি সমসাময়িক ধর্মভীতির উত্থানের দিকে পরিচালিত করেছে; বিশেষ করে হিন্দুবিরোধী, বৌদ্ধবিরোধী এবং শিখবিরোধী মনোভাব তৈরি করেছে।

ভারতীয় প্রতিনিধির মতে, জাতিসংঘে এ ধরনের প্রস্তাব গ্রহণ করে এমন কোনো নজির স্থাপন করা উচিত নয়, যার ফলস্বরূপ নির্দিষ্ট ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্বেষকে কেন্দ্র করে অসংখ্য প্রস্তাব আসতে পারে। এমনটি হলে ধর্মীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে যাবে বৈশ্বিক এই সংস্থা।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের জন্য এ ধরনের ধর্মীয় উদ্বেগের ঊর্ধ্বে অবস্থান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: এনডিটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category