আগামী এপ্রিল থেকে চালের প্রতিটি বস্তায় ধানের জাত, মিলারের নাম ও ঠিকানা, ওজন ও মিলগেট মূল্য উল্লেখ করে বাজারজাত করার পরিপত্র দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্ত আগামী ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে বলে জানায় মন্ত্রণালয়টি।
আজ বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয় এ পরিপত্র জারি করেন। এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের কয়েকটি জেলা পরিদর্শন করে দেখা যায়, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। এ দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা অকস্মাৎ বেড়ে গেলে মিলার, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা পরস্পরকে দোষারোপ করেন।
মন্ত্রণালয়টি আরো উল্লেখ করেন, এতে ভোক্তারা ধান-চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাত করা হয়, তা নিশ্চিতে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে এ নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, চালের উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করতে হবে।
এক্ষেত্রে বস্তার ওপর সংশ্লিষ্ট এসব তথ্য কালি দিয়ে হাতে লেখা যাবে না। মিল মালিকের (অটো বা হাস্কিং) সরবরাহ করা সব প্রকার চালের বস্তা বা প্যাকেটের (৫০/২৫/১০/৫/২/১ কেজি ইত্যাদি) ওপর সংশ্লিষ্ট এসব তথ্যাদি মুদ্রিত করতে হবে।
একই নির্দেশনা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেটের দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারে।খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এ পরিপত্রের নির্দেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।