মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
Title :
বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা এবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি রিজভীর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের সংঘাতের মধ্যেই তেহরানে অবতরণ করেছে রাশিয়ার কমান্ড পরমাণু বিমান বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাতক শেখ হাসিনাকে জেলে যেতেই হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী ‘কঠিন সময়ে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছে মালদ্বীপ’ ওয়াশিংটনের আক্রমণের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের পাল্টা হামলা ইউরোপে ৮ দিনের তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল ১০ হাজারের বেশি মানুষের

একদিনে বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭১ Time View

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৭৮ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। এদের মধ্যে আছেন- যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর পাঁচটি থানার মামলায় এ রায় দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের পৃথক তিন আদালত।

যুবদল নেতা নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতাকর্মীর কারাদণ্ড
দশ বছর আগে তেজগাঁও থানায় করা নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতাকর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- ঢাকা সিটির সাবেক কাউন্সিলর মো. আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ, তেজগাঁও থানা সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রাজ, সেলিম, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ, যুবদল নেতা জালাল, শ্রমিকদল নেতা শাহ আলম, আব্দুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ছাত্রদল নেতা ঝন্টু।

আদালত তাদের প্রত্যেককে পেনাল কোডের ৪৩৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২ বছর ৬ মাসের সশ্রম করাদণ্ড দেন। সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নাশকতার অভিযোগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে পুলিশ।

বিএনপি নেতা মজনুসহ ১৩ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড
২০১৮ সালের রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় নাশকতার অভিযোগে করা এক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অন্য ৫ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি নেতা আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ, গিয়াস উদ্দিন মানিক, বদরুল আলম সবুজ, সোহাগ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ ভাসানী চাকলাদার, মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন প্রমুখ। আসামিদেরকে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ৩৫৩ ধারায় ২ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বনানী থানার মামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড
২০১৮ সালে রাজধানীর বনানী থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে দুই ধারায় এক বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান, শাহজাহান সরকার, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আল মামুন, হাজী সৈয়দ আহমেদ মনজুর হোসেন, মো. ইমাম হোসেন, মো. সেলিম আহমেদ রাজু, শাজাহান বাবুর্চি, মিজানুর রহমান আক্তার, মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ফাহিম। আসামিদের প্রত্যেককে দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারায় তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৪২৭ ধারায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলায় ১৮ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড
২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির ডাকা মিছিলে নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীকে ৪ বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী প্রত্যেক আসামিকে তিন ধারায় দুই বছর, দেড় বছর ও ছয় মাসের সাজা দেন। সব সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক। ফলে তাদেরকে দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- তারেকুল রাজ্জাক, মহিবুল্লাহ, মো. পারভেজ, মো. নাঈম হোসেন, শামসুল আলম বাবুল, তরিকুল ইসলাম বাপ্পি, রনি, মো. মোশারফ হোসেন, মাঈনুল ইসলাম অমি, মো. তুহিন, মো. জিয়া, মো. কবির, মো. সাদ্দাম হোসেন রাব্বি, মোমিনুল হক অপু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, তাসলিমা আক্তার ভূঁইয়া বেবী, মো. জিন্নাত আলী ও জিহাদ আল সিফাত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে মিছিল করে বিএনপি। মিছিলে নাশকতার অভিযোগ তুলে ৬৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই মো. কামরুল ইসলাম।

মামলা তদন্ত করে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই ৩৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আসাদুজ্জামান। পরে ২০২২ সালের ২১ মার্চ মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হকের আদালত। এ মামলার বিচার চলাকালে মোট ৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মতিঝিল থানার মামলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড
১৩ বছর আগে মতিঝিল থানায় করা বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহর আদালত। আসামিদের প্রত্যেককে দুই ধারায় দুই বছর করে সাজা দেন বিচারক।

দণ্ডিতরা হলেন- মোহসিন আহম্মদ, আ. মজিদ, জাহাঙ্গীর ওরফে টেম্পু জাহাঙ্গীর, নাসিরউদ্দিন তরফদার, ওলিউল্লাহ গাজী, রেদওয়ানুল কবির, খানজাত আলী সুজন, মো. মনির হোসেন, শাহাজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আ. কাদের ও ফারুক মোল্লা।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ৪ জুন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় হরতাল সমর্থনকারীরা একটি বাসে আগুন দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category