বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
ইপসউইচ ইজতেমা: আমরা কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক বার্তা রেখে যাচ্ছি-মাহবুবুল করিম সুয়েদ বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা এবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি রিজভীর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের সংঘাতের মধ্যেই তেহরানে অবতরণ করেছে রাশিয়ার কমান্ড পরমাণু বিমান বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাতক শেখ হাসিনাকে জেলে যেতেই হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী ‘কঠিন সময়ে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছে মালদ্বীপ’ ওয়াশিংটনের আক্রমণের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের পাল্টা হামলা

বিদ্রোহীদের দখলে শহর, রাখাইনে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক হামলা

  • Update Time : শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৮২ Time View

মিয়ানমারের রাখাইনে বিদ্রোহীদের দখলে যাওয়া শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যাপক আকারে হামলার শুরু করেছে জান্তা বাহিনী। রাখাইনের গুরুত্বপূর্ণ পাউকতাও শহর দখলমুক্ত করতে বুধবার (২৯ নভেম্বর) আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে জান্তা বাহিনীর সামরিক অভিযান শুরু হয়। আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণের পাশাপাশি চালানো হয় বিমান হামলা।গেল কয়েকদিন ধরেই মিয়ানমারের বিভিন্ন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের তীব্র লড়াই চলছে। বিদ্রোহীদের প্রতিরোধের মুখে একের পর এক শহরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। গেল ১৫ নভেম্বর রাখাইন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পাউকতাও শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। রাখাইনের রাজধানী সিত্তের কাছেই এই শহরটিতে রয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর।

প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দার এই শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে ব্যাপক আকারে সামরিক অভিযান শুরু করেছে জান্তা সেনারা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ থেকে পাউকতাও শহরকে মুক্ত করতে ব্যাপক আকারে হামলা শুরু করেছে জান্তা সরকার। আরকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণের পাশাপাশি যুদ্ধবিমান থেকেও চালানো হচ্ছে হামলা। শহরের ভেতরে ও বাইরে চলছে ব্যাপক লড়াই। 
 
রাখাইন রাজ্যের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে অনেক বছর ধরেই থেমে থেমে লড়াই করে যাচ্ছে আরাকান আর্মি।
 
গত মাসে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি ও তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির সশস্ত্র যোদ্ধাদের সঙ্গে আরাকান আর্মি যোগ দিয়ে চীনের সীমান্তবর্তী শান রাজ্যে হামলা চালায়। এর মধ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা চীন সীমান্তে মিয়ানমারের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, যা জান্তা সরকারে জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল। এর ফলে চীনের সঙ্গে ওই পথ দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি’র নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণের পর মিয়ানমারের জান্তা এখন বেশ কঠিন সময় পার করছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত ২৭ অক্টোবর থেকে বিদ্রোহীদের শুরু হওয়া লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত শিশুসহ প্রায় ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। গৃহহারা হয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ। 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category