বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
বিশ্ব বদলে দেওয়া ফরাসি বিপ্লবের স্মরণে ফ্রান্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘ফেত নাসিওনাল’ ইপসউইচ ইজতেমা: আমরা কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক বার্তা রেখে যাচ্ছি-মাহবুবুল করিম সুয়েদ বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা এবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি রিজভীর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের সংঘাতের মধ্যেই তেহরানে অবতরণ করেছে রাশিয়ার কমান্ড পরমাণু বিমান বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাতক শেখ হাসিনাকে জেলে যেতেই হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী ‘কঠিন সময়ে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছে মালদ্বীপ’

আল-শিফা হাসপাতালের ইনকিউবেটরে থাকা শিশুদের মিশরে নেওয়া হয়েছে

  • Update Time : সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৭৯ Time View

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার আল-শিফা হাসপাতালের ইনকিউবিটরে থাকা শিশুদের মিশরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে জীবন বাঁচানোর জন্য সোমবার (২০ নভেম্বর) তাদের স্থানান্তর করা হয়। এর আগে রোববার শিশুগুলোর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের রাফাহ শহরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

গত বুধবার (১৫ নভেম্বর) আল-শিফা হাসপাতালে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সে সময় এসব শিশু ইনকিউবেটরে ছিল। কিন্তু ইসরায়েলিরা অবরুদ্ধ করার পর জ্বালানির অভাবে হাসপাতালটি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এতে মারাত্মক হুমকিতে পড়ে ইনকিউবেটরে থাকা অপরিপক্ক শিশুদের জীবন।ইনকিউবেটর অচল হয়ে পড়ায় কয়েকটি শিশু মারাও যায়। এরপর এসব শিশুকে বাঁচাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জোরালো দাবি তোলা হয়। মুসলিম দেশগুলোর পাশাপাশি, ইউরোপের কয়েকটি দেশও এ বিষয়ে সরব হয়।

মিসরীয় টিভি চ্যানেল আল কাহেরা টিভির বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার উদ্ধারকৃত এসব শিশুর প্রথম গ্রুপটিকে গাজা উপত্যকা থেকে মিশরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আরও দুই ডজনের বেশি শিশুকে এদিনে মিশরে স্থানান্তর করা হবে।আল কাহেরা টিভিতে প্রচারিত লাইভ ভিডিওতে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা সতর্কতার সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে ওই শিশুদের বের করে ভ্রাম্যমাণ ইনকিউবেটরে রাখছে। এরপর শিশুগুলোকে পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category